bangla hasir golpo. নতুন এবং সেরা মজার গল্প। ফানি স্টোরি। top best 10+ funny story.

Spread the love

নতুন ১০ টিরও বেশি hasir golpo থাকছে আজ। এই দমফাটা+হাসির+গল্প গুলি একদম ভিন্ন ধাঁচের। এখানে রয়েছে বাবা ছেলের মজার জোস্ক, ছাত্র-শিক্ষকের মজার জোক্স ইত্যাদি ইত্যাদি। এই মজার গল্প গুলি সম্পর্কিত আপনার মতামত অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না যেন!

hasir golpo, দমফাটা+হাসির+গল্প:-

দমফাটা+হাসির+গল্পঃ- ০১

চুংকুর ক্লাসের শিক্ষিকা চুংকু-কে শাসিয়ে দিয়েছেন, পরের দিন সে যদি ইংরেজিতে কথা বলা না শেখে আসে তাহলে তার কপালে দুঃখ আছে।

পরেরদিন স্কুল যাবার জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়ে কিছুদূর এসে শুনল একজন ছেলে একজন মেয়েকে বলছে- হ্যালো ডার্লিং! চুংকু মনে মনে ভাবল আরে এটা তো ইংরেজি কথা। সে শিখে নিল। কিছুদূর গিয়ে সে শুনল পার্কের ধারে একজন মেয়ে একজন ছেলেকে বলছে- সাট আপ ননসেন্স! চুংকু শিখে নিল। স্কুলের গেটের উল্টো দিকে সে দেখল রেশন দোকানী বলছে- লেডিস ফার্স্ট। চুংকুর ইংরেজি শিক্ষা সমাপ্ত।

ক্লাসে কিছুক্ষণ পড়ে সেই শিক্ষিকা এলে, ছাত্ররা সবাই দাঁড়িয়ে “গুড মর্নিং” বলল। কিন্তু চুংকু বলল- হ্যালো ডার্লিং। কথাটা দিদিমণির কানে যেতেই তিনি রেগে গিয়ে বললেন- হাউ ডেয়ার ইউ। চুংকু বলল- “সাট আপ ননসেন্স” এবারে ম্যাম আরও রেগে গিয়ে বললেন- “চলো প্রিন্সিপ্যালের কাছে” চুংকু বলল- “লেডিস ফার্স্ট”

আর এর পরের কাহিনী অবশ্যই পাঠকের মনে এতক্ষণে তৈরি হয়ে গেছে যে, চুংকুর সাথে পরবর্তীতে কি ঘটতে পাড়ে।


ফানি স্টোরি- ০২

এই তো সেদিনের ঘটনা, আমি কলকাতা থেকে বাসে জলপাইগুড়ি আসছিলাম। এক বুড়ি মুর্শিদাবাদে বাসে উঠলেন। তিনি কন্ট্রাক্টারকে বললেন- শিলিগুড়ি এলেই আমাকে মনে করিয়ে দিও বাবু।

কন্ট্রাক্টার বললেন- ঠিক আছে বুড়ি মা, আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। বাস চলতে লাগল। সবে ৩০ মিনিট হয়েছে বুড়ি আবার বললেন- “বাবু শিলিগুড়ি এলেই আমাকে বলে দিও কিন্তু।” কন্ট্রাক্টার আবার বুড়ির কথায় সায় দিলেন। এদিকে ৫ ঘণ্টার যাত্রা শেষে শিলিগুড়ি ছেড়ে বাস জলপাইগুড়ির দিকে যাবার পড় কন্ট্রাক্টারের খেয়াল হল বুড়িকে তো নামানো হল না। এখন উপায়? কন্ট্রাক্টার বুড়ির দিকে তাকালেন দেখলেন বুড়ি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।

bangla hasir golpo
bangla hasir golpo

সে তখন ড্রাইভারের সাথে পরামর্শ করে গাড়ি আবার শিলিগুড়ি নিয়ে যাবার কথা বলল। যাত্রীরা এর কারণ জিজ্ঞাসা করতেই কন্ট্রাক্টার বললেন- “প্লিজ আপনারা একটু অ্যাডজাস্ট করুন, বুড়ি মানুষ আমাকে শিলিগুড়ি পৌঁছাতেই ডেকে দিতে বলেছিলেন কিন্তু আমার কিছুতেই মনে নেই। প্লিজ বোঝার চেষ্টা করুন। আমরা জথা সময়েই আপনাদের পৌঁছে দিব।” আমরা যাত্রীরা কেউই কিছু বললাম না।

৩০ মিনিট পড় শিলিগুড়িতে আবার গাড়ি ফিরে আসলে, কন্ট্রাক্টার বুড়িকে ডেকে দিয়ে বললেন- “বুড়িমা আপনার শিলিগুড়ি চলে এসেছে, নেমে পড়ুন।” বুড়ি বলল- “আমি তো এখানে নামব না বাবা, আমি জলপাইগুড়িতে নামব।”

কন্ট্রাক্টার কিছুটা হতচকিত হয়ে বললেন- “তাহলে শিলিগুড়ি এলেই আপনাকে ডেকে দিতে বললেন যে!”

বুড়ি তার পটলা থেকে একটা ওষুধের সিসি বেড় করে বলল- “আমার নাতি শিলিগুড়ি এলেই, এই ওষুধটা খেয়ে নিতে বলেছিল তাই শিলিগুড়ি এলেই আমাকে ডেকে দিতে বলেছিলাম। আমাকে ডেকে দিয়ে মঙ্গল কাজ করলে বাবা।

সব যাত্রীরা রেগে কন্ট্রাক্টারের দিকে তাকালেন। কন্ট্রাক্টার বেচারা হাসবেন না কাদবেন কিছুই তার বোধগম্য হচ্ছে না।


বাবা ও ছেলের মজার জোক্সঃ- ৩

বাবা ও ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে-

বাবা- বাবু, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?

ছেলে- আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই।

বাবা- তুমি কিসের ডাক্তার হতে চাও? হার্টের ডাক্তার নাকি দাঁতের ডাক্তার?

ছেলে- ডাক্তার হলে দাঁতের ডাক্তার হওয়াটাই আমার কাছে শ্রেষ্ঠ মনে হয়।

বাবা- কেন কেন?

ছেলে- কারণ, আমাদের শরীরে হার্ট একটাই থাকে, কিন্তু দাঁত থাকে বত্রিশ টা। তাই ইনকামটাও অনেক বেশি হবে।


মজার গল্প- ০৪

ট্রেন অনেক দেড়ি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু স্টেশন থেকে এখনও ছাড়ছে না। ৩ ঘণ্টা ধরে জেনারেল ক্লাসে অপেক্ষা করে আছেন কমল বাবু। এদিকে প্রচণ্ড গরমে তার আলু-সেদ্ধ হওয়ার মত অবস্থা। প্রচণ্ড রাগে গজ গজ করতে করতে স্টেশন মাস্টারের কাছে গিয়ে বললেন-

কমল বাবু- আপনারা ট্রেন ঠিকমত ছাড়েন না তো ষ্টেশনে জায়গায় জায়গায় এত ঘড়ি লাগিয়ে রেখেছেন কেন?

স্টেশন মাষ্টার- have a relax, তা না হলে আপনারা বুঝবেন কি করে যে কোন ট্রেন কতটা দেড়িতে ছাড়ছে?

মজার গল্প ফানি স্টোরি
মজার গল্প ফানি স্টোরি

hasir golpo:- 05

বাসে প্রচণ্ড ভিড়, এক মহিলা ৬-৭ জন বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠে পড়ল। এটি দেখে বাসের সিটে বসে থাকা এক মহিলা বলে উঠলেন- “একে তো বাসে প্রচণ্ড ভিড়, তার পড়েও আপনি এত গুলো রেজগী নিয়ে বাসে উঠে পরলেন?”

এটি শুনে সেই মহিলা বললেন- “দেখুন দিদি একটা কথা বলি, প্লিজ রাগ করবেন না। আপনার কি এখনও নোট ভাঙ্গানোর সময় আসে নি নাকি, পরের রেজগী দেখে তক করে জ্বলে উঠলেন যে!” বাসের সবাই মিটি মিটি হেঁসে উঠল।


মাঝ রাতে ঘরের মধ্যে শব্দ হচ্ছে, সেই শব্দ শুনে স্ত্রী স্বামীকে ডেকে বললেন-

স্ত্রী- এই যে শুনছ, পাশের ঘড়ে কি যেন শব্দ করছে, উঠে দেখো না মনে হয় চোর এসেছে।

স্বামী- এই অন্ধকারের মধ্যে কি আর করা যাবে বল, বরং সকাল হোক। সকাল হলেই একটা ব্যবস্থা করা যাবে।


চুংকু দৌড়ে পাড়ার মোড়ের মিষ্টির দোকানে ঢুকে হন্তদন্ত হয়ে বলল-

চুংকু- দাদা তাড়াতাড়ি করুন, মারামারি শুরু হওয়ার আগেই আমাকে চারটা মিষ্টি আর দুটি সিঙ্গারা দিন।

চুংকু তাড়াতাড়ি সেগুলি খেয়ে ফেলে বলল-

চুংকু- দাদা মারামারি শুরু হওয়ার আগে, দুটা সন্দেশ আর দুটা কচুরি দিন, তাড়াতাড়ি করুন, এক্ষণই মারামারি শুরু হয়ে যাবে।

দোকানদার- আরে দাদা, কোথায় মারামারি শুরু হবে, আমি তো কিছুই বুঝছি না।

চুংকু- দাদা আর একদম দেড়ি করবেন না, ফ্রিজ থেকে তাড়াতাড়ি এক বতল ঠাণ্ডা জল দিন, এক্ষণই মারামারি শুরু হয়ে যাবে।

দোকানী ফ্রিজ থেকে জল বেড় করে দিয়ে বলল- আরে দাদা এত ঘাবড়াচ্ছেন কেন, শান্ত হয়ে বলুন যে মারামারি কোথায় শুরু হবে?

চুংকু- ঘাবড়াবই তো, মারামারি শুরু হবে এক্ষণই কারণ আমার কাছে যে একটিও টাকা নেই।

এই বলে চুংকু দোকান থেকে বেড়িয়ে চোঁ-চোঁ দৌড় মারল।

দমফাটা+হাসির+গল্প
দমফাটা+হাসির+গল্প

একবার আইনস্টাইন বিমানে বাংলাদেশ যাচ্ছেন- আসার সময় পোষ্ট অফিসের পিয়ন তার হাঁতে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। আইনস্টাইন সেই চিঠিটি বিমানে পড়বেন বলে তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলেন। কিন্তু বিমানে এসে দেখলেন তিনি তার চশমাটি সঙ্গে আনেন নি। তিনি পাশের সিটে বসা একটি লোককে বললেন-

আইনস্টাইন- হে ইয়ং ম্যান, আপনি কি অনুগ্রহ পূর্বক আমার এই চিঠিটি পড়িয়া দিতে পারিবেন?

লোকটি- মাপ কইরেন আমারে, বিশ্বাস করুন আমার অবস্থা ঠিক আপনার মতনই পড়াশোনা বেশিদূর এগোতে পারেনি। টেনে টুনে টুকলি করে পাশ করেছি। আপনিও বোধ হয় আমার মতই টুকলি করে পাশ করেছেন, তাই না!

আইনস্টাইন মনে মনে- গজব বেজ্জতি হ্যাঁ ইয়ার।


এক পুলিশ রাত্রে রাস্তায় পাহারা দিচ্ছিল। হঠাৎ তার কানে একজনের- “বাঁচাও, বাঁচাও” বলে চিৎকার এল। সে তাড়াতাড়ি সব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখল, একজন লোক কুয়োতে পড়ে গেছে। সে তাড়াতাড়ি একটি দড়ি জোগাড় করে নিয়ে এসে কুয়োতে ধরল। কুয়োতে পড়ে থাকা লোকটি দড়ি ধরে আসতে আসতে উপড়ে উঠে এল। খানিকটা উপড়ে আসতেই দেখা গেল, লোকটি আর কেউ নয় বরং স্বয়ং পুলিশ ইন্সপেক্টর। আর যায় কোথা দড়ি ছেড়ে দিয়ে পুলিশটি স্যালুট করল। পুলিশ ইন্সপেক্টর আবার সেই কুয়োর ভেতরে ধরে ব্যাঙের মত ঝলাত করে পড়ে গেলেন।


একজন লোক KGF সিনেমা দেখতে গেছে, টিকিটের কাউন্টারে গিয়ে সে টিকিটের মূল্য হিসেবে একটাকা দিল। কাউন্টারের লোকটি বলল- দাদা টিকিটের দাম দুই টাকা।

লোকটি জবাব দিল- আমার তো একটা চোখ নষ্ট, তাই আমি এক চোখ দিয়েই সিনেমা দেখব। তাই আমি টিকিটের দাম হিসেবে একটাকা দিয়েছি।


চুংকু কে তার বন্ধু জিজ্ঞাসা করল- আচ্ছা চিংকু তোর বাবা কি ক্রিম ব্যবহার করে রে? আগে তোর বাবাকে কালো দেখাতো এখন বেশ ফর্সা দেখায়!

চুংকু- আসলে বাবা আগে কয়লার ব্যবসা করতেন, ইদানিং তিনি আটার মিল খুলেছেন তাই ফর্সা দেখাচ্ছে।


পড়ুনঃ- বাংলা হাসির কৌতুক

সেরা হাসির গল্প

hasir golpo মজার গল্প। ফানি স্টোরি। দমফাটা+হাসির+গল্প

আমাদের সাথে যুক্ত হবেন যেভাবে- 

facebook- ছাড়পত্র। 

telegram- charpatraOfficial 

WhatsApp- ছাড়পত্র

Spread the love

Leave a Reply

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

মনে হচ্ছে আপনি Ad blocker ব্যবহার করছেন। অনুগ্রহ করে  Ad blocker টি disable করে আবার চেষ্টা করুন।

ছাড়পত্র